সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

ট্রাম্প প্রশাসনের ছাঁটাই নীতি

ওয়াল স্ট্রিট নিয়ন্ত্রক সংস্থার জনবল কমেছে ১৮%

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-৩০, | ১৫:৩৪:০৭ |
বড় ধরনের জনবল সংকটের মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গৃহীত কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় সংকোচন ও কর্মী ছাঁটাই নীতির ফলে গত সেপ্টেম্বর নাগাদ সংস্থাটির প্রায় ১৮ শতাংশ কর্মী চাকরি ছেড়েছেন। গত শুক্রবার দেশটির সরকারি তদারকি সংস্থা গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিসের (জিএও) প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পায়। খবর রয়টার্স।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউজের নির্দেশে নেয়া ব্যাপক ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় এসইসির বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা এবং পুঁজিবাজার তদারকি বিভাগগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জিএওর আর্থিক বাজার ও কমিউনিটি ইনভেস্টমেন্ট বিভাগের প্রধান মাইকেল ক্লেমেন্টস জানান, জনবল কমে যাওয়ায় এসইসিতে কাজের চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। অনেক অভিজ্ঞ কর্মী চলে যাওয়ায় সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান ও দক্ষতা হারাচ্ছে বলেও কর্মীরা অভিযোগ করেন। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যান্য দপ্তরে গড়ে ১২ শতাংশ জনবল কমলেও এসইসির ক্ষেত্রে এ হার অনেক বেশি।

রয়টার্সের গত বছরের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে নাগাদ এসইসির প্রায় ৬০০ কর্মী (মোট জনবলের ১২ শতাংশ) স্বেচ্ছায় অবসরের সুযোগ নেন। তবে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরো ২৭০ জন কর্মী স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বা পদত্যাগের মাধ্যমে সংস্থাটি ত্যাগ করেন। ফলে ২০২৫ অর্থবছর শেষে মোট জনবল হ্রাসের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ শতাংশে। তবে এসইসির একজন মুখপাত্র শুক্রবার দাবি করেন, সংস্থাটির কাছে পর্যাপ্ত জনবল ও সম্পদ রয়েছে।

বর্তমান চেয়ারম্যান পল অ্যাটকিনস যথাসময়ে প্রয়োজনীয় নিয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। সংস্থাটির মতে, অভিজ্ঞদের চলে যাওয়া নতুন মেধাবী কর্মীদের জন্য সুযোগ তৈরি করেছে, যারা বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা এবং বাজারের শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে।

অন্যদিকে সমালোচকরা সতর্ক করে বলেছেন, এমন গণহারে কর্মী কমে যাওয়ায় বাজার তদারকি এবং যেকোনো আর্থিক সংকট মোকাবেলায় এসইসির সক্ষমতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..